Sign Up

Be the part of the Best Sex Stories, Erotic Fiction & Bangla Choti Golpo, bangla panu golpo.

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Captcha Click on image to update the captcha.

You must login to ask a question.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

SexStories Latest Articles

তানিয়ার গোপনীয়তা পর্ব ১

পরিচয়:
তানিয়া, ২১ বছরের একটি সুন্দরী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী। ঢাকার একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ে। ওর চেহারা মিষ্টি, লম্বা চুল, ফর্সা ত্বক, আর শরীরটা এমন যে ছেলেরা ঘুরে তাকায়। কিন্তু ওর জীবনের কেন্দ্রবিন্দু রাকিব – ওর বয়ফ্রেন্ড, যে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র। রাকিব গেমিং এডিক্ট, রাতভর পাবজি আর ফ্রি ফায়ার খেলে। তানিয়া ওকে ভালোবাসে, কিন্তু রাকিবের অবহেলায় ওর মন ভেঙে যায়।
আরিফ, রাকিবের ক্লোজ ফ্রেন্ড, ২৩ বছরের। ও গাজা খায়, আড্ডা মারে, আর মেয়েদের প্রতি ওর দুর্বলতা আছে। রাকিব তানিয়াকে আরিফের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে “ভাইয়া” বলে। আরিফ তানিয়াকে দেখে থেকেই ওর শরীরের প্রতি আকৃষ্ট, কিন্তু সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।
এই সিরিজে দেখা যাবে তানিয়ার জীবনে ঝড় কীভাবে আসে, প্রতারণা, লজ্জা, আর নতুন সম্পর্কের জটিলতা।

তানিয়ার সাথে রাকিবের প্রচণ্ড ঝগড়া লেগেছে। রাকিব প্রচুর গেম এডিক্ট। রাতভর গেম খেলে, তানিয়াকে সময় দেয় না। ফোন দিলে ধরে না। দুদিন ধরে কোনো যোগাযোগ নেই। রাকিব রাগ করলে এমনই করে। তানিয়ার মন প্রচণ্ড খারাপ। পাঁচটার ক্লাস শেষ করে ও বের হয়। গ্রাউন্ডে গিয়ে দেখে আরিফ বসে আড্ডা মারছে। ও ঠিক করে, রাকিবের নামে আরিফকে বিচার দেবে।

আরিফকে ইশারা করে। আরিফ আজকেও গাজা খেয়ে ফুল লোড। তানিয়ার ইশারায় কাছে আসে, দেখে ওর মুখে রাজ্যের অন্ধকার।

“কী হইসে তানিয়া? মুখটা এমন কেন?” জিজ্ঞেস করে আরিফ, চোখ দুটো লালচে হয়ে আছে গাজার নেশায়।

“অনেক কথা ভাইয়া, চল কোথাও বসি। একা কথা বলতে হবে।”

“চল ছাদে বসি। ওখানে কেউ আসে না এখন।”

ওরা সাত তলার ছাদে যায়। সন্ধ্যা হয়ে আসছে। তানিয়ার পরনে হলুদ-কালো সালোয়ার কামিজ, যা ওর শরীরের কার্ভগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে – পাতলা কাপড়ে বুকের উঁচু অংশ আর কোমরের সরু লাইন স্পষ্ট। ওরা ছাদের কোনায় পাশাপাশি বসে দেয়ালে হেলান দিয়ে। এই কোনায় সন্ধ্যার পর আলো থাকে না, আর ছটার পর কেউ আসে না। আটটা বাজলে ম্যাসেঞ্জাররা গেট লক করে।

এখন সাড়ে পাঁচটা। আকাশ খারাপ, তাই সবাই তাড়াতাড়ি চলে গেছে। পুরো ছাদে ওরা ছাড়া কেউ নেই।

“কী হইসে, খুলে বল। রাকিবের জন্য এমন মন খারাপ?” বলে আরিফ, তানিয়ার কাঁধে হাত রেখে।

তানিয়া রাকিবের সব কীর্তি বলতে শুরু করে। “ভাইয়া, ও সারাদিন গেম খেলে, রাতভর পাবজি। আমি ফোন দিলে ধরে না, মেসেজের রিপ্লাই দেয় না। দুদিন হয়ে গেল কোনো খোঁজ নেই। আমার মনটা ভেঙে গেছে!” বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ে। আরিফের কাঁধে মাথা রেখে কাঁদে, শরীরটা কাঁপছে।

আরিফ বাম হাত ওর ঘাড়ের পিছনে নিয়ে টেনে কাছে আনে। “শান্ত হ, তানিয়া। কাঁদিস না। আমি তো আছি।” ডান হাত দিয়ে বাম থাইতে হাত বোলাতে থাকে, আলতো করে উপরে উঠতে থাকে। গাজার নেশায় ওর শরীর গরম, চোখ লাল, আর তানিয়ার শরীরের স্পর্শে ওর ধোন শক্ত হয়ে উঠেছে – প্যান্টে চাপ সৃষ্টি করছে।

“কাঁদতে মানা করছি। দেখ, তোর চোখ দুটো লাল হয়ে গেছে,” বলে আরিফ, হাতটা থাইয়ের ভাঁজে ঘষতে থাকে।

তানিয়া কাঁদতে কাঁদতে বলে, “রাকিব সারাদিন নিজের সাথে ব্যস্ত, রাতভর গেম। আমি ফোন দিলে ধরে না। আমার খারাপ লাগে না ওর এই বিহেভিয়ার? বিশ দিন হয়ে গেল ও আমাকে ছোঁয়নি!”

“আমি জানি এসব। তোমার শক্ত হতে হবে। রাকিব বুঝবে না যদি তুমি ওকে এভয়েড করো,” বলে আরিফ সালোয়ারের ওপর দিয়ে হিপে চাপ দেয়, আঙুল দিয়ে গোল করে ঘুরায়। তানিয়ার শরীরে শিহরণ খেলে যায়, ও আরিফকে জড়িয়ে ধরে। “ভাইয়া, তুমি ঠিক বলো। কিন্তু আমার শরীরটা… এতদিন ছোঁয়া হয়নি, ক্ষুধা লাগছে।”

“ওকে বোঝাও যে তুমি ও ছাড়াও থাকতে পারো। জেলাস ফিল করবে,” বলে আরিফ ডান হাতের মধ্যমা দিয়ে সালোয়ারের ওপর ভোদার খাজে আলতো ঘষে। বালের নরম স্পর্শ পায়, তানিয়া শিউরে উঠে পা ফাঁক করে। “উহ্… ভাইয়া, কী করছ?”

আরিফ মুখ নামায় গলায়, দাড়ির ঘর্ষণে তানিয়া কেঁপে উঠে। “রিল্যাক্স কর। আমি তোকে সান্ত্বনা দিচ্ছি।” বোঝে পরিস্থিতি বাইরে যাচ্ছে, কিন্তু তানিয়া নিজেকে সামলাতে পারে না। শরীরটা গরম হয়ে উঠেছে।

“উহ্, আমি কী করব ভাইয়া? বলো না,” বলে তানিয়া, চোখ বন্ধ করে।

আরিফ ততক্ষণে সালোয়ারের ফিতা খুলে ফেলেছে। “অন্য কারো সাথে রিলেশন করো। কেউ তোকে এমন অবহেলা করবে না।” ডান হাত সালোয়ারের ভিতরে ঢোকে, প্যান্টির ওপর দিয়ে ভোদায় আঙুল বোলায়। তানিয়া পা আরও ফাঁক করে, হাতের মুভমেন্ট সহজ করে। “আহ্… ভাইয়া, আস্তে। এটা ঠিক না… কিন্তু ভালো লাগছে।”

আরিফ টের পায় ভোদা রসে ভিজে গেছে, প্যান্টি ভেজা। প্যান্টি সরিয়ে আঙুল দিয়ে ভোদার ফোলা ঠোঁট আলাদা করে, মধ্যমা দিয়ে ক্লিটে ঘুরায়। “দেখ, তোর ভোদা কত রস ঝরাচ্ছে। রাকিব জানে না তোর এই ক্ষুধা।” বাম হাত কাঁধ থেকে নামিয়ে বগলের নিচ দিয়ে বাম বুকে চাপ দেয়। তানিয়ার বুক দুটো বড়, নরম – ৩৪ সাইজের, ব্রায়ের ওপর দিয়ে চেপে ধরে।

“আহ্, আস্তে ভাইয়া… ব্যথা লাগছে, কিন্তু থামো না,” বলে তানিয়া চোখ বন্ধ করে, শরীরটা কাঁপছে।

আরিফ কামিজের ওপর দিয়ে বাম বুক মুঠোয় নিয়ে পিসতে থাকে, নিপলটা আঙুল দিয়ে চিমটি কাটে। জিভ ঘাড়ে চালায়, চুষতে থাকে। “তোর বুক দুটো কত নরম, তানিয়া। রাকিব এগুলো টিপে না?” ডান হাতের মধ্যমা সোজা ভোদায় ঢোকায়, ভিতরে গরম রসে ভিজে যায়। তানিয়া পা ফাঁক করে আঙুল পুরো ঢোকাতে হেল্প করে, কোমর উঁচু করে। ভোদাটা টাইট, রাকিবের ছোট ধোনের জন্য অভ্যস্ত – আরিফের আঙুলে চেপে ধরে। “উহ্… গভীরে যাচ্ছে ভাইয়া… আরও!”

“ভাইয়া, কার সাথে রিলেশন করব? বলো না,” হাঁপাতে হাঁপাতে বলে তানিয়া।

আরিফ আঙুল দ্রুত চালায়, দুটো আঙুল ঢুকিয়ে ঘুরায়। “আমার সাথে কর। আমি তোকে প্রতিদিন এমন সুখ দেব।” বোঝে আজই দিন। তানিয়াকে ছাদে শুইয়ে দেয়, নিজে ওপরে ওঠে। ঠোঁটে ঠোঁট বসায়, জিভ ঢুকিয়ে চুষতে থাকে। “তোর ঠোঁট কত মিষ্টি… চুষি আরও।” হাত দিয়ে প্যান্টের বাটন খুলে হাঁটু পর্যন্ত নামায়। পায়ে ঠেলে তানিয়ার সালোয়ার আর প্যান্টি নামায়। তানিয়া পোঁদ উঁচু করে হেল্প করে, “ভাইয়া… দ্রুত… আমার ভোদা জ্বলছে।”

ঠোঁট চুষতে চুষতে বাম হাতে কামিজ তুলে ব্রা সরিয়ে বুক বের করে, নিপল চুষতে থাকে। “আহ্… তোর নিপল শক্ত হয়ে গেছে।” ডান হাতে নিজের ৯ ইঞ্চি ধোন বের করে – মোটা, শিরা উঁচু, গাজার নেশায় লালচে আর শক্ত। ভোদার খাজে ঘষে, রসে ভিজিয়ে নেয়। “দেখ, আমার ধোন তোর জন্য কত বড়। রাকিবের থেকে ডবল।”

ভোদায় ধোনের মাথার ঘষা খেয়ে তানিয়ার সম্বিত ফিরে। “ভাইয়া, না! এটা অনৈতিক, রাকিবের সাথে বেইমানি। থামো!” ধাক্কা দিয়ে উঠতে চায়।

আরিফ শরীরের চাপে ধরে রাখে, হাত দুটো মাথার ওপর চেপে। “শান্ত হ, তানিয়া। একবার ট্রাই কর। তোর ভোদা আমার ধোন চায়।” ধোন সেট করে এক ঠাপে অর্ধেক ঢোকায়। তানিয়া “হোক্… আহ্!” করে ওঠে, ব্যথায় চোখে পানি। ভোদা ফেটে যাওয়ার মতো লাগে। আরিফ দু’হাত চেপে ধরে ঠাপাতে শুরু করে, ধীরে ধীরে পুরোটা ঢোকায়। “উফ্… তোর ভোদা কত টাইট! চেপে ধরছে আমার ধোন।” কামিজের ওপর মুখ দিয়ে বুকে কামড়ায়, নিপল কামড়ে টানে।

মাগরিবের আজান পড়ছে। সন্ধ্যা গভীর। তানিয়ার চোখে পানি। “ভাইয়া, থামো… ব্যথা লাগছে… আহ্!” নড়তে চায়, কিন্তু আরিফ চেপে ধরে ঠাপায়। কোমরের ধপাস ধপাস আওয়াজ, ধোন ভোদায় ঢোকা-বের হওয়ার শব্দ – চপচপ। আরিফ অসুরের মতো ঠাপায়, প্রতি ঠাপে পুরো ৯ ইঞ্চি ঢুকিয়ে বের করে। “আহ্… তানিয়া, তোর ভোদার রস আমার ধোন ভিজিয়ে দিচ্ছে। আরও জোরে চাই?”

তানিয়া লজ্জায় স্তব্ধ, যাকে ভাই বলে ডাকে, তার নিচে পড়ে ঠাপ খাচ্ছে। কিন্তু ব্যথার সাথে সুখ মিশে যায়। “উহ্… ভাইয়া… ধীরে… আহ্… গভীরে যাচ্ছে!” পা দুটো আরিফের কোমরে পেঁচিয়ে ধরে।

হঠাৎ আরিফ বেগ বাড়ায়, ধুপধাপ করে পুরো ৯ ইঞ্চি ঢোকায়, ডিম দুটো ভোদার নিচে ধাক্কা খায়। “আহ্… মাল আসছে… তোর ভোদায় ঢালব!” তানিয়া “আহ্… গরম!” করে। ভোদা গরম মালে ভরে যায়, আরিফের ধোন কাঁপতে কাঁপতে ফোঁটা ফোঁটা মাল ঢালে। আরিফ ওপর পড়ে থাকে, হাঁপায়। পাঁচ মিনিট পর উঠে প্যান্ট ঠিক করে চলে যায়। “পরে কথা হবে।”

তানিয়া ওই অবস্থায় পড়ে থাকে। চোখে পানি, ভোদা থেকে মাল বের হয়ে থাই বেয়ে পড়ে। উঠে ব্যাগ থেকে কাপড় বের করে ভোদা পরিষ্কার করে, সালোয়ার পরে বাথরুমে যায়। ফ্রেশ হয়। হাঁটতে পারে না, ভোদা ব্যথায় ফোলা। সীল ফাটার সময় এত ব্যথা পায়নি।

বাসায় গিয়ে গোসল করে শুয়ে ভাবে – এটা কী হল? আরিফকে, রাকিবকে কী মুখ দেখাবে?

ফোন বাজে। আরিফ। লজ্জা পায়, কিন্তু ধরে। “হ্যালো।”

“তানিয়া, সরি। গাজা খাওয়া ছিলাম, পরিস্থিতি বাধ্য করছে। তোমার বডি, গায়ের গন্ধ – হর্নি করে ফেলছে। তোর ভোদার টাইটনেস ভুলতে পারছি না। লজ্জিত।”

“ঠিক আছে, সমস্যা নাই। শুধু কেউ জানবে না, ভাইয়া।”

“আরে না। প্রোটেকশন ছাড়া লাগাইছি, তোমার টাইট ভোদা মালে ভরে ফেলছি। কত মাল ঢেলেছি, টের পেয়েছিস?”

তানিয়ার কান লাল। “হ্যাঁ… গরম লাগছিল ভিতরে।”

“প্রেগনেন্ট হলে? কাল পিল নিয়ে আসব। ক্লাস কয়টায়?”

“আটটায় শুরু।”

“শেষ?”

“তিনটায়।”

“তিনটায় এমবিএ লাউঞ্জে থাকব। আসিস। পিল খেয়েছ আগে?”

“না ভাইয়া।”

“ওকে। আর আসার সময় সেই হলুদ সালোয়ারটা পরিস। আবার দেখতে চাই।”

ফোন কেটে যায়। তানিয়া ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে প্রশ্ন – এখন কী হবে? রাকিব জানলে? আরিফ আবার চাইলে?

পার্ট ২-এ: পিল নেওয়ার দিন, নতুন প্রলোভন, আর রাকিবের ফিরে আসা। সিরিজ চলবে…

Related Posts

Leave a comment

Captcha Click on image to update the captcha.